বিস্তারিত
  • ৪ কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালিয়ে ক্যাম্প পরিদর্শনে বিজিবি মহাপরিচালক


    বিশ্বনাথ বিডি ২৪ || 28 April, 2018, 7:22 PM || জাতীয়


    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নবনিযুক্ত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম এনডিসি, পিএসসি নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার তিস্তার দুর্গম চর এবং ভাঙা রাস্তা অতিক্রম করে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপা চরখড়িবাড়ী সীমান্ত ক্যাম্পে যান। এরআগে তিনি শনিবার দুপুরে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নে অবস্থিত সীমান্তের রংপুর-৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ডাঙাটারী বিজিবি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
    সীমান্ত এলাকা ও বিজিবি ক্যাম্প পরিদর্শনের পর এলাকাবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তারা বিজিবি মহাপরিচালককে কাছে পেয়ে চরখড়িবাড়ী বিজিবি ক্যাম্প থেকে ঠ্যাংঝাড়া বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার রাস্তা ও তিস্তার ভাঙন রোধ করতে বাঁধ নির্মাণের দাবি জানায়। জবাবে তিনি বিষয়টি সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে তাদের আশ্বাস দেন।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের (রংপুর জোন) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাহিদুল ইসলাম খান, পরিচালক (অপারেশন-রংপুর জোন) লে. কর্নেল হাসান মোর্শেদ, বিজিবির রংপুর সেক্টর পরিচালক কর্নেল আজিজুল কাহার, রংপুর-৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-পরিচালক (টুআইসি) মেজর মাসুম জিয়া বিন কুদ্দুস, রংপুর-৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-পরিচালক (টুআইসি) মেজর মুহিত উল আলম, মেজর আনোয়ার হোসেন ও টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন।
    পরে ডাঙাটারী বিজিবি ক্যাম্প থেকে বিজিবি মহাপরিচালকসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা সড়কপথে তিস্তা ব্যারাজ হয়ে রংপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন।
    সীমান্তে একজন নিরীহ মানুষেরও হত্যা চাই না
    বিজিবি মহাপরিচালক বলেছেন, ‘বিজিবি-বিএসএফের চমৎকার সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে আমরা মানবিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা তৈরির চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে সীমান্ত হত্যা আশাব্যঞ্জকভাবে কমেছে। আমরা সীমান্তে একজন নিরীহ মানুষেরও হত্যা চাই না। বিএসএফও একমত হয়েছে।’
    তিনি শনিবার দুপুরে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়ন সীমান্তে অবস্থিত রংপুর-৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ডাঙাটারী বিজিবি ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।
    তিনি আরও বলেছেন, ‘বিজিবি আলোকিত সীমান্ত ব্যবস্থা চালু করেছে। প্রয়োজনে লালমনিরহাটেও আলোকিত সীমান্ত ব্যবস্থা চালু করা হবে। আগের তুলনায় মানুষ অনেক সচেতন। আমরা আরো সচেতনতা সৃষ্টি করতে চাই। এতে গণমাধ্যমকেও ভূমিকা রাখতে হবে। স্মার্ট সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বদলে দিতে পারে চোরাকারবারী। আমরা সকলে চোরাকারবারী প্রতিরোধ করে নিজেরা সমৃদ্ধশালী হব।’



সর্বশেষ খবর


নিউজ খুঁজুন
আর্কাইভ
ফেইসবুক পেইজ