বিস্তারিত
  • বিশ্বনাথে প্রবীণ শিক্ষাবিদ আব্দুল বারীর ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন


    বিশ্বনাথ বিডি ২৪ || 05 April, 2026, 12:40 AM || বিশ্বনাথ


    বিশ্বনাথবিডি২৪:: বিশ্বনাথে প্রবীণ শিক্ষাবিদ, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, কারিকোনা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি, এলাকার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি হাজী মো. আব্দুল বারী আর নেই। গত শুক্রবার রাতে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট নগরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। ইন্না…রাজিউন। আজ শনিবার বিশ্বনাথ পৌরশহরের কারিকোনা গ্রামের বায়তুল মামু’র জামে মসজিদে জানাযা নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন মরহুমের ভাইপু হাফিজ জাবেদ আহমদ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফিজ আব্দুল মোছাব্বির এবং পরিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মরহুমের ২য় পুত্র আসিফ আল মামুন। বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের পরিচালনায় মরহুমের জানাযার নামাজে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুমের প্রাক্তণ ছাত্র ও বিশ্বনাথ ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজুল হক, বিশিষ্ঠ চিকিৎসক ডাক্তার ইব্রাহিম খলিল, বিশ্বনাথ উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি ফয়জুর রহমান, বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী, নায়েবে আমির মাষ্ঠার ইমাদ উদ্দিন, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ডাক্তার এম. মাহবুব আলী জহির, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন মামুন,বিশ্বনাথ উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি ফয়জুর রহমান, বিশ্বনাথ থানা সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আজাদ, সালীশ ব্যাক্তিত্ব মো. ইরণ মিয়া, শেখ মো. নুর মিয়া, শেখ হাবিব উল্লাহ মাষ্ঠার দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ শাহিদুর রহমান, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন মামুন প্রমুখ।

    বিশ্বনাথ পৌরসভার স্থানীয় কারিকোনা গ্রামে ১৯৪৪ সালে এক স¤্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। হাজী মো. আব্দুল বারী কারিকোনা গ্রামের ছোয়াব আলী ও জেবুন নেছা সিতারা দম্পতির ছেলে। বিশ্বনাথের ঐতিহ্যবাহী রামসুন্দর অগ্রগামী মডেল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে মেট্রিক পাস করে সিলেট সরকারি কলেজে উচ্চ শিক্ষার জন্য লেখাপড়া করেন। এরপর শিক্ষকতার মহান পেশায় যোগদেন। তাঁর কাছে শিক্ষাগ্রহণকারী অনেক শিক্ষার্থী আজ বিভিন্ন পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত। এক সময় শিক্ষকতা ছেড়ে সরকারি চাকুরীতে যোগদেন। ২০০৩ সালে সরকারি চাকুরী থেকে অবসর গ্রহনের সময় তিনি ছিলেন জনস্বাস্থ্য বিভাগের ইন্সপেক্টর। সরকারি চাকুরী থেকে অবসরের পর তিনি ছিলেন নিজ এলাকার অসহায় মানুষের একজন বিশ্বস্থ অভিভাবক। তাঁর মৃত্যু পূর্ব পর্যন্ত মানবসেবার পাশাপাশি নিজ গ্রামের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি। গত কিছু দিন ধরে বাধ্যক জনিত রোগে ভোগছিলেন। শুক্রবার রাত ১টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে, ৫ ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।



সর্বশেষ খবর


নিউজ খুঁজুন
আর্কাইভ
ফেইসবুক পেইজ