বিস্তারিত
  • আদালতের নির্দেশ অমান্য : মাহতাবপুর বাজার কমিটির সংবাদ সম্মেলন


    বিশ্বনাথ বিডি ২৪ || 15 May, 2024, 8:55 PM || বিশ্বনাথ


    বিশ্বনাথবিডি২৪:: মহামান্য সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে বিশ^নাথের মাহতাবপুর মৎস্য আড়তের একটি দোকান ভাংচুর ও মারপিট করে ৩জনকে আহত করায় সিলেট জেলা সমবায় কর্মকর্তা চন্দন দত্ব ও বিশ^নাথ থানার এসআই অনিক বড়–য়ার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে।
    বুধবার (১৫মে) বিকেলে মাহতাবপুরবাজার এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ এ শাস্তি দাবি করেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করে সাবেক মেম্বার হেলাল উদ্দিন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মাহতাবপুর মাছের আড়তের কমিটি গঠন নিয়ে মহামান্য হাইকোর্টে ১২৮৮০/২২, রিট পিটিশন দায়ের করা হলে মহামান্য হাইকোর্ট একাধিকবার কমিটি গঠনে স্থগিতাদেশ প্রদান করেন।
    এই স্থগিতাদেশ এখনও বলবৎ আছে। কিন্তু হাইকোটের নির্দেশ অমান্য করে জেলা সমবায় কর্মকর্তা চন্দন দত্ত রিটকারি প্রতিপক্ষ ৩জন লোক দিয়ে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করেন। সমবায় কর্মকর্তা হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করায় সুপ্রিমকোর্টের আপিলের ডিভিশনে রিট পিটিশন নং-১২৭০৫/২০২৩ দায়ের করলে শুনানী শেষে আদালত রিটকারিদের ১৫জন সদস্যকে কমিটির অন্তরভুক্ত করার নির্দেশ দেন।
    কিন্তু সমবায় কর্মকর্তা সুপ্রিমকোটের নির্দেশ মানতে বাধ্য নয় বলে জানিয়ে দেন এবং ৫লাখ টাকা ঘোষ দিলে ১৫জনকে কমিটিতে অর্ন্তভুক্ত করবেন বলে জানান। তার এ দাবি অমান্য করায় সমবায় কর্মকর্তা বিশ^নাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসিকে আড়তের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পত্র দেন। গত ২৭এপ্রিল দিবাগত রাতে এসআই অনিক বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক সামসুল হককে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে এসে কোন মামলা ছাড়াই ১৬ঘন্টা আটক রাখেন এবং ১লক্ষ টাকা ঘোষ নিয়ে ছেঢ়ে দেন। ১৪মে মঙ্গলবার এসআই অনিক মাহতাবপুর আড়তে একদল পুলিশ নিয়ে একটি দোকান ভাচুর করার চেষ্টা করলে লোকজন বাঁধা দিলে অনিকের এলাপাতাড়ি মারপিটে সাদিক আহমদ, আবু মুসা ও তারেক গুরুত্বর জখমপ্রাপ্ত হন।
    অভিযোগে বলা হয়, আদালতের নির্দেশ ছাড়া পুলিশ কারো দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ বা ভাংচুর করতে পারেনা। এসআই অনিক দোকান ভাংচুর করে ২লাখ টাকার ক্ষতি ও প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ঘোষ গ্রহণ করে বেপরোয়া হয়ে মারপিট করেন। এতে এলাাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
    সমবায় কর্মকর্তা চন্দন দত্তের অপসারণ ও এসআই অনিকসহ দায়ি পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। দুর্ণীতিবাজ চন্দনের অতি লোভের কারনে ২/৩বছর পূর্বে একটি ভুয়া মৎস্যজীবি সমিতিকে রেজিষ্ট্রেশন দিয়ে দুটি হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। পুলিশি হয়রানি বন্ধে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য আড়তের সভাপতি আব্দুল মন্নান, সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক, সদস্য কালা মিয়া, জাকির হোসেন, সফাত আলী, আব্দুস সালাম প্রমুখ।

    এ ব্যাপারে সিলেট জেলা সমবায় কর্মকর্তা চন্দন দত্ব বলেন, হাইকোর্টের আদেশ আমান্য করার কোন সুযোগ নেই। আইন অনুযায়ী কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়।
    বিশ্বনাথ থানার এসআই অনিক বডুয়া বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রনোদিত।



সর্বশেষ খবর


নিউজ খুঁজুন
আর্কাইভ
ফেইসবুক পেইজ